নিজস্ব প্রতিবেদক দেশজনতা:
সিরাজগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর এক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে মারধর করে মাথা ফাঁটিয়ে দেওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে অর্থ লোপাট করার অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় মো. আরিফ উদ্দিন সরকার (৩৭) কে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪ জন।
ভুক্তভোগী আরিফ উদ্দিন সরকার সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দিয়ারধানগড়া এলাকার মো. আসলাম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই এলাকায় মুদি দোকান পরিচালনা করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরিফ উদ্দিন ও তার বড় ভাই মো. শাকিল সরকার দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাদের আপন ফুফাতো ভাই মো. জুয়েল, মো. বিবেকসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জন সেখানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তারা আরিফ ও তার ভাইকে মারধরের জন্য চড়াও হন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তাদের দোকান থেকে বের করে দিয়ে শাটার নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় ওইদিনই (৮ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জ সদর থানায় জুয়েল ও বিবেকসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন আরিফ উদ্দিন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পর আরিফের বাবা মো. আসলাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত জুয়েল হুমকি দিয়ে বলেন, মো. আরিফ উদ্দিনকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই মারধর করা হবে।
জানা গেছে, অভিযোগ দেওয়ার পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর আরিফ উদ্দিনকে দোকান পর্যন্ত মারধর করতে করতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জুয়েল ও বিবেকের নেতৃত্বে পিন্টু শেখ, মো. বাবু ও মোছা. মাতুআরাসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় দোকানে ভাঙচুর ও টাকা লুটপাট করা হয়। হামলায় আহত আরিফ উদ্দিনকে পরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, অভিযোগ দেওয়ার পরে মারধর করার বিষয়টি আমরা জেনেছি।আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।